১০ বছর ধরে বোর্ডের চোখের সামনে জাল ডিগ্রিতে পদোন্নতি! অডিটের মুখে ধরা পড়ছে গোপন সাম্রাজ্য?

অনলাইনে এক বেনামী শীর্ষ কর্মকর্তার রোমাঞ্চকর স্বীকারোক্তি কাঁপিয়ে দিয়েছে সামাজিক মাধ্যম, যেখানে যোগ্যতা আর প্রবঞ্চনার সীমা আবছা হয়ে গেছে।
Bengali

১০ বছর ধরে বোর্ডের চোখের সামনে জাল ডিগ্রিতে পদোন্নতি! অডিটের মুখে ধরা পড়ছে গোপন সাম্রাজ্য? · Avonetics

🎧 Listen to this episode
Closes with the original song “কথা তো অনেক হলো”. · Plays on Spotify · Open on Spotify ↗
Sponsored
Volicci custom graphic tees, hoodies & die-cut stickers, a fresh original design every day. Learn more →

একটি ভুয়ো সনদপত্র, একটি জাল ট্রান্সক্রিপ্ট এবং ১০ বছরের টানা সাফল্য—কর্পোরেট জগতের চকচকে আলোর পেছনে জমে থাকা অন্ধকার সত্যিটা এভাবেই রূপ নিয়েছে এক রোমাঞ্চকর ড্রামায়। অনলাইন ফোরামে এক বেনামী ব্যক্তির স্বীকারোক্তি সম্প্রতি তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে চরম হতাশার মুখে দাঁড়িয়ে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য জাল করে এক বহুজাতিক সংস্থায় জুনিয়র পদে যোগ দেন। আজ ১০ বছর পর, তিনি সেই প্রতিষ্ঠানের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী টিম লিডার। কিন্তু হঠাৎ করে নেমে এসেছে বিপদের কালো ছায়া।

প্রতিষ্ঠানটি এক মার্কিন বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে একীভূত হতে চলেছে। আর তার সঙ্গেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে কঠোর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক। এতদিন যে গোপন সত্যটি তিনি বুকের ভেতর চেপে রেখেছিলেন, তা প্রকাশ পাওয়ার প্রহর এখন একদম সামনে। যে ক্যারিয়ার তিনি রাতদিন এক করে গড়ে তুলেছেন, তা এক মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মুখে।

Read nextআরব নেকলেস পরতেই চাকরি গেল! জাতিগত বিদ্বেষের শিকার তরুণী

এই স্বীকারোক্তি সামনে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে যুক্তির ঝড় উঠেছে। একদল মন্তব্যকারী বলছেন, প্রথম দিন থেকেই এটি ছিল একটি বড় ধরনের জালিয়াতি। একজন লিখেছেন, "তিনি এমন একজনের চাকরি চুরি করেছেন যিনি সততার সাথে পড়াশোনা করেছিলেন। দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও অপরাধী অপরাধই থাকে।" তাদের মতে, কোনো সাফল্যই একটি বড় মিথ্যাকে ধুয়েমুছে দিতে পারে না।

Your brand, right here.Reach story-obsessed listeners in 45+ languages → advertise on Avonetics

অন্যদিকে, বাস্তববাদী একটা বড় অংশ দাঁড়িয়েছে সেই কর্মীর পক্ষে। আরেকজন মন্তব্যকারী যুক্তি দিয়ে বলেছেন, "ডিগ্রি কেবল দরজায় কড়া নাড়ার সুযোগ দেয়, কিন্তু ১০ বছরের পদোন্নতি আর কোম্পানির কোটি টাকার লাভ প্রমাণ করে যে তিনি কতটা যোগ্য ছিলেন। কাগজের টুকরো তার মেধা ঠিক করতে পারে না।" এই অংশটির মতে, কোম্পানি তার পরিশ্রমের উপযুক্ত মূল্য ইতিমধ্যেই পেয়েছে, তাই এটিকে স্রেফ ভুল হিসেবে দেখে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

বর্তমানে সেই কর্মী কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। তিনি কি নিজে থেকে সত্য স্বীকার করবেন, নাকি অডিট শুরু হওয়ার আগেই নিঃশব্দে পদত্যাগ করবেন? এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা ও নিয়োগ ব্যবস্থার এক বড় ফাঁকফোকর উন্মোচন করেছে। কীভাবে একটি গোপন মিথ্যা একাধারে কাউকে সফলতা এনে দেয় আবার ভেতর থেকে শেষ করে দেয়, তা নিয়ে পডকাস্ট 'অগোচরে'-র আজকের পর্বে বিশদ আলোচনা করেছেন উপস্থাপকরা।

0:00
0:00
Link copied ✓