শাশুড়ির ভয়ানক ষড়যন্ত্র: জামাইয়ের নামে শিশু সুরক্ষায় মিথ্যা অভিযোগ, অতঃপর চরম শিক্ষা!

নিজের নাতি ও জামাইয়ের বিরুদ্ধে নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনে বিপদে পড়লেন শাশুড়ি, পরিবার নিল কঠোর আইনি পদক্ষেপ।
Bengali

শাশুড়ির ভয়ানক ষড়যন্ত্র: জামাইয়ের নামে শিশু সুরক্ষায় মিথ্যা অভিযোগ, অতঃপর চরম শিক্ষা! · Avonetics

🎧 Listen to this episode
Closes with the original song “স্মৃতির ছাই”. · Plays on Spotify · Open on Spotify ↗
Sponsored
Volicci custom graphic tees, hoodies & die-cut stickers, a fresh original design every day. Learn more →

সকালের রোদ মেখে নিজের বাড়ির আঙিনায় ঘাস কাটছিলেন এক ব্যক্তি। হঠাৎ দরজায় এক নারীকে ফাইল হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি ভাবেন, হয়তো কোনো মার্কেটিংয়ের লোক এসেছে। কিন্তু নারীটি যখন তার স্ত্রীর নাম ধরে ডাকেন এবং বুকের ব্যাজটি দেখান, তখন তার বুক হিম হয়ে যায়। দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন চাইল্ড প্রোটেক্টিভ সার্ভিসেসের এক কর্মকর্তা।

অভিযোগটি ছিল চমকে ওঠার মতো। চার বছরের শিশুর গায়ে নাকি কালশিটে, মশার কামড় এবং এমনকি যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধ ঘটেছে! অথচ এই শিশুটি অত্যন্ত চঞ্চল, খেলাধুলা করতে ভালোবাসে। তার শরীরের আঘাত ছিল খেলার স্বাভাবিক দাগ মাত্র।

Read next‘৯ বছরের ছেলের মতো শরীর!’: ১৬ বছরের মেয়েকে জোর করে হরমোন ইনজেকশন দিতে গিয়ে ডাক্তারের তোপের মুখে বিষাক্ত মা

তবে এই অভিযোগের পেছনে লুকিয়ে ছিল এক গভীর পারিবারিক শত্রুতা। ঘটনাটির নেপথ্যে ছিলেন শিশুটির নিজের নানি অর্থাৎ গৃহকর্তার শাশুড়ি। জামাই ও মেয়ের দেওয়া আর্থিক সাহায্যে দিনযাপন করলেও, এই বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে তাদের জীবন বিষিয়ে তুলছিলেন। সম্প্রতি একটি পারিবারিক বার্তায় তিনি এমনই নোংরা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

ঘটনার দিন শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা বাড়িতে ঢুকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। চার বছরের শিশুটির হাসিখুশি আচরণ এবং সুরক্ষিত পরিবেশ দেখে তিনি নিজেই স্বীকার করেন, এটি কোনো নির্যাতনের ঘটনা নয়। কিন্তু মিথ্যা রিপোর্টের কারণে পরিবারটির মানসিক শান্তি এক মুহূর্তে ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

Your brand, right here.Reach story-obsessed listeners in 45+ languages → advertise on Avonetics

এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা শাশুড়ির সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি সব ধরনের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে। তবে অভিজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বিষাক্ত আত্মীয়দের জীবন থেকে বাদ দেওয়ার আগে আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি।

একজন মন্তব্যকারী বলেছেন, যে রক্ত সম্পর্কের স্বজন এমন নোংরা ফাঁদ পাততে পারে, সে আর যাই হোক পরিবারের অংশ হতে পারে না। অন্যদিকে আরেকজন সতর্ক করে বলেন, হুট করে সাহায্য বন্ধ না করে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত, যাতে শাশুড়ি পরবর্তীতে কোনো আইনি সুযোগ না নিতে পারেন।

পারিবারিক ভালোবাসার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই বিষাক্ততা কীভাবে সামাল দেবে এই পরিবার? এই ঘটনার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও আইনি জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে 'অভিভাবকনামা' পডকাস্টের সর্বশেষ পর্বে।

0:00
0:00
Link copied ✓