বিজ্ঞানীদের মহাজাগতিক যুদ্ধ: আমরা কি শুধুই কোনো বহুমাত্রিক মায়ার ভেতর বাস করছি?

বিজ্ঞানীদের মহাজাগতিক যুদ্ধ: আমরা কি শুধুই কোনো বহুমাত্রিক মায়ার ভেতর বাস করছি? · Avonetics
EUHOMY Countertop Ice Maker Machine
6 Mins Ice-Making & Ultra Quieter: Our Euhomy ice maker only takes 6mins that will enjoy the first batch of fresh bullet ice. With a 1.2L water tank and powerful compressor, the po…
See it →
কল্পনা করুন, আপনি আপনার অতি গোপন ব্যক্তিগত ডায়েরিটি একটি অগ্নিকুণ্ডে ফেলে পুড়িয়ে দিলেন। ভস্মীভূত পাতাগুলো ছাই হয়ে বাতাসে উড়ে গেল। আপনি ভাবছেন, সেই কথাগুলো হয়তো পৃথিবী থেকে চিরতরে বিলীন হয়ে গেল। কিন্তু আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান বলছে সম্পূর্ণ উল্টো কথা। মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী, সেই ছাই, ধোঁয়া আর তাপের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোয়ান্টাম পরমাণুগুলোর অবস্থান নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারলে আপনার ডায়েরির প্রতিটি অক্ষরের নিখুঁত তথ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কারণ পদার্থবিজ্ঞানে তথ্যের মৃত্যু নেই।
অথচ এই পরম সত্যটিকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে বসে মহাকাশের সবচেয়ে ভয়ংকর দানব—ব্ল্যাক হোল। আর এই রহস্যকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক সময়ে বৈজ্ঞানিক ফোরামগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র উত্তেজনা ও তুমুল বিতর্ক।
Read nextমহাবিশ্বের পিক্সেল কোড: আমরা কি কোনো অদৃশ্য ল্যাটিস গ্রিডের ভেতরে বন্দি?
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্বয়ং স্টিফেন হকিং। ১৯৭৪ সালে হকিং গাণিতিকভাবে দেখান, ব্ল্যাক হোল একেবারে স্থির বা নীরব নয়। এটি ধীরে ধীরে এক ধরনের অতিসূক্ষ্ম কণা বিকিরণ করে বাষ্পীভূত হয়, যাকে বলা হয় 'হকিং রেডিয়েশন'। সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয় হলো, হকিংয়ের দাবি অনুযায়ী এই বিকিরণ সম্পূর্ণ বৈশিষ্ট্যহীন বা থার্মাল। অর্থাৎ, ব্ল্যাক হোলে যা কিছুই পতিত হোক না কেন, তা মিলিয়ে যাওয়ার পর সেই তথ্যের কোনো চিহ্নই অবশিষ্ট থাকে না।
এই ধারণাই বিজ্ঞানবিশ্বে এক মহাজাগতিক আলোড়ন সৃষ্টি করে। পদার্থবিজ্ঞানীদের ভাষায় একে বলা হয় 'ব্ল্যাক হোল ইনফরমেশন প্যারাডক্স'। যদি তথ্য সত্যি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার সমীকরণ অর্থহীন হয়ে পড়ে। আর যদি তথ্য বাইরে বেরিয়ে আসে, তবে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার নীতি ভুল প্রমাণিত হয়।
অনলাইন ফোরামগুলোতে বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে। একজন মন্তব্যকারী লেখেন, কোয়ান্টাম মেকানিক্সের চেয়ে দৃঢ় কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মানব ইতিহাসে নেই, তাই তথ্য হারানোর চেয়ে ব্ল্যাক হোল ধ্বংস হওয়া অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত। অন্যদিকে আরেকজন তাত্ত্বিক বিশ্লেষক পালটা যুক্তি দিয়ে বলেন, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া আত্মঘাতী, কারণ স্থান-কালের বক্রতা কোনো কল্পনা নয় বরং প্রমাণিত বাস্তবতা।
Skatinger 11'6×35" Super Wide Inflatable Paddle
Skatinger 11'6" paddleboard features a 35" wide platform(compared to typical 32" boards), making it ideal for beginners, families, and activities like yoga or simply relaxing. It a…
See it →
এই সংকট কাটাতে বিজ্ঞানীরা নিয়ে আসেন এক অভাবনীয় সমাধান—'হলোগ্রাফিক প্রিন্সিপল'। লিওনার্ড সাসকাইন্ড এবং জেরার্ড 'ট হুফ্ট দেখান, ব্ল্যাক হোলে কোনো বস্তু পড়লে তার মূল তথ্যটি ভেতরের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায় না। বরং তার সম্পূর্ণ ত্রিমাত্রিক তথ্য ব্ল্যাক হোলের দ্বিমাত্রিক সীমানায় অর্থাৎ ঘটনা দিগন্তের পর্দায় সংরক্ষিত থাকে, ঠিক যেমন একটি ক্রেডিট কার্ডের দ্বিমাত্রিক স্ট্রিপে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখা যায়। অর্থাৎ, আমাদের চারপাশের বিশ্বও হয়তো কোনো দূরবর্তী সীমানায় লিখিত তথ্যের এক বিশাল প্রজেকশন মাত্র!
কিন্তু নাটকীয়তা এখানেই শেষ নয়। ২০১২ সালে একদল বিজ্ঞানী নতুন হিসাব কষে দেখান যে, তথ্য যদি ঘটনা দিগন্ত থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, তবে সেখানে তৈরি হবে এক মহাপ্রলয়ংকারী অগ্নিপ্রাচীর বা 'ফায়ারওয়াল'। সেখানে কোনো নভোচারী পৌঁছালে মুহূর্তেই ভস্ম হয়ে যাবেন, যা মহাকর্ষের স্বাভাবিক নিয়মের চরম লঙ্ঘন।
তথ্য কি আসলেই বাঁচে, নাকি স্থান-কাল নিজেই এক ভ্রান্তি? অনলাইন তর্কযুদ্ধ যখন পদার্থবিজ্ঞানের মূল ভিতকে নাড়িয়ে দিচ্ছে, তখন এই রোমাঞ্চকর রহস্যের শেষ কোথায়?
পডকাস্ট 'কোয়ান্টাম ফাইলস'-এর নতুন পর্বে উপস্থাপক তানভীর ও স্নিগ্ধা এই অভূতপূর্ব মহাজাগতিক লড়াই ও অদ্ভুত সব কোয়ান্টাম ধাঁধার প্রতিটি জটিল স্তর উন্মোচন করেছেন।
LEGO DUPLO Classic Cars and Trucks
Educational STEM toy for vehicle-loving preschoolers aged 18 months and up – The Cars and Trucks Brick Box playset comes with an assortment of bricks and pieces to set toddlers’ cr…
See it →