পকেটে শূন্য কাস্টমার, মিলছে না ভিসিও: দেউলিয়া হওয়ার ভয়ে থাকা এন্টারপ্রাইজ স্টার্টআপের বাঁচবার পথ কোথায়?

গ্লোবাল টেক হাবের বাইরে থাকা নতুন উদ্যোক্তারা কীভাবে ফান্ডরেইজিং ও এন্টারপ্রাইজ সেলসের জটিল চক্রে আটকে যাচ্ছেন, তা নিয়ে উঠছে নতুন বিতর্ক।
Bengali

পকেটে শূন্য কাস্টমার, মিলছে না ভিসিও: দেউলিয়া হওয়ার ভয়ে থাকা এন্টারপ্রাইজ স্টার্টআপের বাঁচবার পথ কোথায়? · Avonetics

🎧 Listen to this episode
Closes with the original song “স্মৃতির ছাই”. · Plays on Spotify · Open on Spotify ↗
Sponsored
Volicci custom graphic tees, hoodies & die-cut stickers, a fresh original design every day. Learn more →

একটি পারফেক্ট সফটওয়্যার তৈরি হলো, যা এন্টারপ্রাইজ লেভেলের সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। কিন্তু বাজারজাত করতে গিয়েই দেখা দিল চরম বাধা। কোনো ক্লায়েন্ট নেই, বিক্রির কোনো অতীত রেকর্ড নেই, আর সবচেয়ে বড় কথা—কোনো ভিসি বা বিনিয়োগকারী ইমেলের জবাব দিচ্ছেন না। এটি কেবল কোনো একক ব্যক্তির সমস্যা নয়, বরং বর্তমানে সিলিকন ভ্যালির বাইরে থাকা হাজার হাজার প্রযুক্তি উদ্যোক্তার কঠিন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

সম্প্রতি এক নতুন উদ্যোক্তা তাঁর হতাশার কথা প্রকাশ করে জানান, তিনি একটি এন্টারপ্রাইজ সলিউশন তৈরি করেছেন যা পুরোপুরি কার্যকরী। কিন্তু কোনো নামীদামি প্রযুক্তি কেন্দ্রে না থাকা এবং প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির সুপারিশ না থাকায় তিনি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না। উপরন্তু, ফান্ড তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্যও তাঁর নেই।

Read nextবিমানে ল্যান্ডিংয়ের সময় তীব্র কানের যন্ত্রণা? জেনে নিন মুক্তির বিজ্ঞানসম্মত উপায়

এই জটিল পরিস্থিতিতে স্টার্টআপ বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞদের মধ্যে দুটি স্পষ্ট ধারার সৃষ্টি হয়েছে। একদল মনে করেন, একদম শুরুতে কোনো স্টার্টআপের পক্ষে বড় এন্টারপ্রাইজ কোম্পানিগুলোর কাছে বিক্রি করা প্রায় অসম্ভব। কারণ এন্টারপ্রাইজ কোম্পানিগুলোর কেনাকাটার প্রক্রিয়া শেষ হতেই অন্তত ১৮ মাস সময় লেগে যায়। ততদিনে কোনো প্রারম্ভিক স্টার্টআপ অর্থমূল্যে নিঃস্ব হয়ে যাবে। তাদের পরামর্শ হলো, ভিসি বা বড় বিনিয়োগকারীদের পেছনে না দৌড়ে আগে ছোট ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করা উচিত।

নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর একটি অনন্য কৌশলের কথা একজন অভিজ্ঞ উদ্যোক্তা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, যেসব নতুন স্টার্টআপ সম্প্রতি ফান্ড তুলতে পেরেছে, তাদের প্রতিষ্ঠাতাদের লিঙ্কডইনে অনুরোধ জানিয়ে ১৫ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত পরামর্শ সভা চাওয়া যেতে পারে। অনেক অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠাতা নতুনদের সাহায্য করতে আগ্রহী হন এবং পরবর্তীতে নিজস্ব বিনিয়োগকারীদের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে দ্বিধা করেন না।

Your brand, right here.Reach story-obsessed listeners in 45+ languages → advertise on Avonetics

অন্যদলে থাকা বাস্তবতাবাদীরা অবশ্য কঠোর সত্য তুলে ধরছেন। তাদের মতে, বর্তমান যুগে কেবল একটি প্রোডাক্ট বা আইডিয়া দেখে কোনো ভিসি টাকা দেবে না। কোনো গ্রাহক না থাকা অবস্থায় ফান্ড তোলার চেষ্টা করা মানে ঘোড়ার আগে গাড়ি জোড়া। যদি আপনার কাছে অর্থ প্রদানকারী গ্রাহক বা প্রমানিত চুক্তি না থাকে, তবে প্রি-সিড পর্যায়ে ভিসিদের কাছে ফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করছেন, ভিসিদের তালিকা আগে ভালোভাবে পর্যালোচনা করা উচিত। যে সমস্ত ফান্ড আপনার ভৌগোলিক অঞ্চলে বা প্রোডাক্ট ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগ করে না, তাদের কাছে ইমেল পাঠানো পণ্ডশ্রম মাত্র। তার চেয়ে বরং কোনো ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে অ্যাডভাইজার হিসেবে বোর্ডে এনে প্রথম পাইলট প্রজেক্টের চুক্তি নিশ্চিত করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এই জটিল সমীকরণ থেকে উত্তরণের সেরা উপায় কী? ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে ব্যবসায় মন দেওয়া, নাকি নতুন কৌশলে ওয়ার্ম ইনট্রোর পেছনে ছোটা? এই সমস্ত প্রশ্নের গভীরে গিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন আমাদের 'উদ্যোগ কথা' পডকাস্টের সঞ্চালকেরা।

0:00
0:00
Link copied ✓