"লোগো পছন্দ হয়নি" বলে বিল দিলেন না ক্লায়েন্ট, কিন্তু পণ্যের গায়ে ছাপা হলো সেই লোগোই! অতঃপর...

রিভিশনের নামে ফ্রিল্যান্সারের সাথে প্রতারণা করে কোটি টাকার ব্র্যান্ড লঞ্চে বিপাকে পড়লেন এক চালক ব্যবসায়ী।
Bengali

"লোগো পছন্দ হয়নি" বলে বিল দিলেন না ক্লায়েন্ট, কিন্তু পণ্যের গায়ে ছাপা হলো সেই লোগোই! অতঃপর... · Avonetics

🎧 Podcast episode
Coming soon — রোহান & অনন্যা are taking this one into the studio.
SponsoredAs an Amazon Associate, Avonetics earns from qualifying purchases. Sony WH-1000XM5 headphones Whether you work in a noisy office or travel often, Sony WH-1000XM5 headphones deliver outstanding noise cancellation and exceptional comfort. They are ideal for anyone who wants to stay focused or enjoy rich, detailed audio anywhere. Check out the link in the episode description. Learn more →

ফ্রিল্যান্সিং জগতের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হলো অস্পষ্ট চাহিদার ক্লায়েন্ট। "কাজটা সুন্দর হয়েছে, কিন্তু ঠিক 'পপ' করছে না"—এই একটি বাক্য শুনে রক্ত গরম হয়নি এমন ডিজাইনার খুঁজে পাওয়া বিরল। সম্প্রতি অনলাইন ক্রিয়েটিভ জগতে এমনই এক নজিরবিহীন বিবাদের খবর ছড়িয়ে পড়েছে, যা একদিকে হাসির খোরাক জুগিয়েছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ৫০০ ডলারের একটি সাধারণ লোগো ডিজাইন প্রজেক্ট থেকে। চুক্তি অনুযায়ী তিনটি রিভিশন ফ্রি থাকার কথা থাকলেও, ক্লায়েন্টের ক্রমাগত অসন্তোষের কারণে ডিজাইনার বাধ্য হয়ে ৪৫টি ভিন্ন সংস্করণ তৈরি করেন। প্রতিটি সংস্করণের পর ক্লায়েন্টের একই মন্তব্য—ডিজাইন নাকি যথেষ্ট "জীবন্ত" মনে হচ্ছে না। টানা দুই মাস ধরে এমন মানসিক নির্যাতনের পর ডিজাইনার অতিরিক্ত শ্রমের বিল দাবি করলে ক্লায়েন্ট চরম ক্ষুব্ধ হয়ে কাজ বাতিল করে দেন। তিনি দাবি করেন, নকশা এতটাই বাজে হয়েছে যে এর জন্য এক পয়সাও দেওয়া সম্ভব নয়।

Read nextআবেগের হিসাব-নিকাশ এবং ২০ বছরের অন্ধকারের পর নতুন ভোর

গল্পের আসল নাটকের শুরু ঠিক দুই সপ্তাহ পর। ডিজাইনার হঠাৎ সামাজিক মাধ্যমে দেখতে পান, উক্ত স্টার্টআপ কোম্পানিটি তাদের নতুন পণ্যের বিশাল বিজ্ঞাপন শুরু করেছে। আর সেই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে ডিজাইনারেরই তৈরি ৪৫ নম্বর খসড়া লোগোটি! টাকা বাঁচানোর উদ্দেশ্যে ক্লায়েন্ট লো-রেজোলিউশন ওয়াটারমার্ক যুক্ত ছবিটি ক্রপ করে ব্যবহার করেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়তেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। এক কমেন্টকারী লেখেন, "মানুষ কীভাবে অন্যের কষ্টার্জিত বুদ্ধিভিত্তিক সম্পদ এভাবে চুরি করতে পারে? এটি স্রেফ ডাকাতি!" অন্যদিকে একজন ব্যবসায়ী মন্তব্য করেন, "ডিজাইনারের উচিত ছিল শুরুতেই সীমা নির্ধারণ করা। ৪৫ বার রিভিশন দেওয়া নিজেই একটি অপেশাদার সিদ্ধান্ত।"

Your brand, right here.Reach story-obsessed listeners in 45+ languages → advertise on Avonetics

তবে ডিজাইনার মোটেও চুপ করে বসে থাকেননি। তিনি কপিরাইট আইনের ধারস্থ হন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে লিখিত অভিযোগ জানান। চুরির প্রমাণ পেয়ে প্রধান ই-কমার্স সাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো রাতারাতি কোম্পানিটির পেজ ও অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। কোটি টাকার জাতীয় ব্র্যান্ড লঞ্চ ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়ে ক্লায়েন্ট আইনিভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত ৫০০ ডলারের কাজটির জন্য তাঁকে ৫,০০০ ডলার জরিমানা গুনে বিষয়টি রফা করতে হয়।

ডিজাইন জগতের এই অসাধারণ প্রতিশোধ এবং ক্লায়েন্ট সামলানোর নানান কৌশল নিয়ে আরও চটকদার আলোচনা শুনতে চান? আমাদের পডকাস্ট 'ডিজাইন ডিসাস্টার'-এর নতুন পর্বে এই বিষয়েই জমে উঠেছে আসল বিতর্ক!

0:00
0:00
Link copied ✓