ঈশ্বরের নামে কোটি টাকার সাম্রাজ্য আর খেলার মাঠে নিশ্চিত জয়ের করুণ দশা: ভণ্ডামি নাকি কৌশল?

ঈশ্বরের নামে কোটি টাকার সাম্রাজ্য আর খেলার মাঠে নিশ্চিত জয়ের করুণ দশা: ভণ্ডামি নাকি কৌশল? · Avonetics
জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা যখন বিশ্বাসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেন, তখন সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে চরম আঘাত লাগে। সম্প্রতি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রচারিত সম্পদ তত্ত্ব নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, বিপুল পার্থিব সম্পত্তি আসলে ঈশ্বরের দান এবং এর ওপর কারো কোনো প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই। কিন্তু পর্দার পেছনের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সাথে অন্যায় আচরণ এবং কর্তৃত্ববাদী শাসনকে ঈশ্বরের ইচ্ছা বলে চালানো হচ্ছে। একজন বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন, যখন আপনার দান আপনাকে বিন্দুমাত্র অস্বস্তিতে না ফেলে, তখন বুঝতে হবে সেই দানের কোনো গভীরতা নেই। অথচ এখানে সম্পদের প্রাচুর্যকে ব্যবহার করা হচ্ছে মানবিক সম্পর্ক ভাঙার এবং নিজের দায়মুক্তি নিশ্চিত করার অস্ত্র হিসেবে। প্রাচীন ভণ্ডামির মতোই পবিত্রতার আড়ালে পার্থিব লালসাকে ঢেকে রাখার এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে এই ঘটনায়। অনেক সচেতন মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এটি স্রেফ নেকড়ের গায়ে ভেড়ার চামড়া জড়ানোর মতো কাজ। একই ধরনের চরম আত্মতুষ্টির নমুনা দেখা গেছে খেলার মাঠেও। চতুর্থ কোয়ার্টারে ৩৪-১০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর দলের কোচিং স্টাফ হঠাৎ আক্রমণাত্মক খেলা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে নিশ্চিত একতরফা ম্যাচ পরিণত হয় চরম স্নায়ুযুদ্ধে। মাঠে উপস্থিত দর্শকরা হতবাক হয়ে প্রত্যক্ষ করেন কীভাবে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে প্রতিপক্ষ ম্যাচে ফিরে আসে। শেষ মুহূর্তে প্রতিরক্ষার সামান্য প্রতিরোধ না থাকলে বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেত। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, এভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া কোনো পেশাদারিত্ব হতে পারে না। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস যে কত দ্রুত পতনের কারণ হতে পারে, এই ম্যাচ তারই বাস্তব দৃষ্টান্ত। দিনশেষে দল জয়লাভ করলেও কোচের অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের সমালোচনা থামছে না। বিশ্বাস, অর্থ এবং খেলার মাঠের এই নাটকীয় দ্বন্দ্ব ও গভীর বাস্তবতার নানা দিক নিয়ে আমাদের অনুষ্ঠানের উপস্থাপকেরা তাদের বিশেষ পর্বে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা তুলে ধরেছেন।